শরীরের জটিল সমস্যার সমাধানে কি করবেন জেনে নিন!

0
229

 

সংবাদটিভি ওয়েবপেজ, ২৮/১০/১৯

মানুষের শরীরের সমস্যার যেন শেষ নেই।তাই অনেকে দীর্ঘদিন ধরে ব্যাথা-বেদনায়  ভোগেন!রাতে ঘুম হয় না? অ্যালার্জির সমস্যায় জেরবার? মুহূর্তেই মুক্তি পেতে পারেন আকুপ্রেসার চিকিৎসা পদ্ধতিতে। এই পদ্ধতিতে হাতের এবং পায়ের বিশেষ কিছু ‘প্রেসার পয়েন্ট’-এ চাপ দিয়ে কিছু ক্ষণের মধ্যেই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।

সুশ্রুত সংহিতার বর্ণনা অনুযায়ী, ৬ হাজার বছর আগে ভারতে আধুনিক আকুপ্রেসার চিকিৎসা পদ্ধতি প্রচলিত ছিল। পরবর্তীকালে এই চিকিৎসা পদ্ধতি শ্রীলঙ্কা হয়ে চিনে ব্যাপক পরিচিতি পায়। আকুপ্রেসার, সুজোক, রিফ্লেক্সোলজি, জোন থেরাপি ইত্যাদি নানা নামে সারা বিশ্বে এই পদ্ধতি জনপ্রিয়তা লাভ করে।

মাথাব্যথা, মাইগ্রেন, সাইনাস, আর্থারাইটিস, স্পন্ডলাইসিস, লিভারের সমস্যা, অ্যালার্জির মতো একাধিক সমস্যায় আকুপ্রেসার চিকিৎসা পদ্ধতিতে মুহূর্তের মধ্যেই মুক্তি পাওয়া যায়। এ ছাড়াও স্নায়ুর নানা সমস্যা, স্নায়ুর রোগ, পক্ষাঘাত, উচ্চ রক্তচাপ, থাইরয়েডের সমস্যাতেও এই পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকরী।

আমাদের হাতে থাকা গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ‘প্রেসার পয়েন্ট’। এ বার প্রয়োজন মতো নির্দিষ্ট পয়েন্টে ১ সেকেন্ড পর পর ৫০ বার চাপ দিন। সমস্যা গুরুতর হলে দিনে সর্বাধিক দু’বার আকুপ্রেসার চিকিৎসা পদ্ধতির সাহায্য নিতে পারেন। সপ্তাহে ৬ দিনের বেশি নয়। যেখানে ব্যথা অনুভব করবেন সেখানেই চাপ দেবেন।

আরও পড়ুনঃদিওয়ালির আলোর সুন্দর ছবি তুলতে কি করবেন জেনে নিন!

১)দিনে দু’বারের বেশি আকুপ্রেসার করা উচিত নয়।

২) খাওয়ার পর বা ভরা পেটে আকুপ্রেসার করা একেবারেই উচিত নয়।

৩) দিনে কখনওই একটানা ২০ মিনিটের বেশি আকুপ্রেসার করা একেবারেই উচিত নয়।

৪) কোনও একটি নির্দিষ্ট ‘প্রেসার পয়েন্ট’-এ একটানা ২ মিনিটের বেশি আকুপ্রেসার করা উচিত নয়।

৫) অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের আকুপ্রেসার করা একেবারেই উচিত নয়।

সঠিক পদ্ধতি মেনে আকুপ্রেসার চিকিৎসা পদ্ধতি কাজে লাগাতে পারলে ওষুধপত্র ছাড়াই শরীরের একাধিক সমস্যা কাটিয়ে সুস্থ থাকা সম্ভব। বিশেষ করে পেশি এবং স্নায়ুর একাধিক জটিল সমস্যার সমাধানে আকুপ্রেসার চিকিৎসা পদ্ধতি একেবারে অব্যর্থ।

Loading...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here