জানেন কি এই বিশেষ জল শরীর থেকে ক্ষতিকারক টক্সিন অপসারণে সহায়তা করে?

0
1897

নিজস্ব প্রতিবেদন ২৭.১০.২০২০

মেথি একটি একটি ভেষজ মৌসুমী গাছ। মেথি সবাই চেনেন। মেথিকে মসলা, খাবার, পথ্য-তিনটিই বলা চলে। মেথির স্বাদ তিতা ধরনের। এর পাতা শাক হিসাবে খাওয়া হয়। মেথি শাক গ্রাম বাংলার মানুষের প্রিয় খাদ্য। ইউনানী, কবিরাজী ও লোকজ চিকিত্‍সায় মেথির বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে। যুগ যুগ ধরেই মেথির বীজ নানা কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মশলা হিসাবেও এটি প্রচুর ব্যবহার হয়। এটি পাঁচ ফোড়নের একটি উপাদান। মেথি থেকে ষ্টেরয়েডের উপাদান তৈরি হয়।

এতে রয়েছে রক্তের চিনির মাত্রা কমানোর বিস্ময়কর শক্তি ও তারুণ্য ধরে রাখার বিস্ময়কর এক ক্ষমতা।

ঐতিহ্যগতভাবেই মেথি বীজ ব্যবহৃত হয়ে আসছে ভালো স্বাস্থ্য ও শক্তিশালী চুলের জন্য। সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা গেছে যে মেথির উপকারিতা আরো অনেক বেশি আছে। আপনি যদি তরকারিতে মেথি খেতে না চান, তবে এটি প্রতিদিন ব্যবহারেরও সহজ উপায় রয়েছে। এর সবচেয়ে সহজ সমাধান হল, মেথির জল খাওয়া। মেথির জল ঘরে বসে সহজেই তৈরি করা যায়।

কী ভাবে মেথির জল বানাবেন

একটি কড়াই বা প্যানে মেথি বীজ ভাল করে ভেজে নিন। ভাজার পরে বীজের গুঁড়া তৈরি করুন। এক গ্লাস গরম জলে এক চা চামচ মেথি বীজের গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। আপনার মেথির জল প্রস্তুত। স্বাস্থ্যের ভাল রাখতে মেথি বীজের জল সেবন জরুরি।

মেথির জলের উপকারিতা

মেথির জল পান করলে সারাদিন শরীর ঠান্ডা থাকে। এতে ফাইবার থাকে। এই পানীয় ওজনের ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করে। আপনি অস্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস খেয়ে স্বাস্থ্যের যে ক্ষতি করেন, তার থেকে নিজেকে রক্ষা করতে সক্ষম হবেন। মেথির বীজে পুষ্টিকর উপাদান থাকে চুলের বৃদ্ধিতে সহায়ক। মাথার খুশকি দূর করে। মেথির জল শরীর থেকে ক্ষতিকারক টক্সিন অপসারণে সহায়তা করে। যা অন্ত্রের চলাচল নিরাময়ে সহায়তা করবে। এ ভাবে কোষ্ঠকাঠিন্য, বদহজমের মত সমস্যা দূর করতে মেথি ব্যবহার করা যেতে পারে।



মেথির বীজ ডায়াবেটিস নিরাময়ের উপযোগী। মেথি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। মেথির বীজে পাওয়া অ্যামিনো অ্যাসিড অগ্ন্যাশয়ে ইনসুলিন নিঃসরণ বাড়ায়। যা শরীরের রক্তে শর্করার মাত্রা হ্রাস করতে সাহায্য করে। মেথির ব্যবহার কিডনি ভাল রাখে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here