মরণ ফাঁদের কথা জেনেও পা দিলেন ২ হাজার জন! কেন?

0
2609

নিজস্ব প্রতিবেদন (পল্লবী সান্যাল) ২৪.০৯.২০২০ : করোনার কবলে গোটা দুনিয়া। ইতিমধ্যেই আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৩ কোটি। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়েই ব্রিটেনের শুরুর মুখে হিউম্যান ট্রায়াল চ্যালেঞ্জ। প্রাণ সংশয় হতে পারে জেনে প্রায় ২ হাজার স্বেচ্ছা সেবক ট্রায়ালে অংশ নেবেন বলে নাম রেজিস্টার করেছেন ইতিমধ্যেই। হিউম্যান ট্রায়াল সফল হলে করোনা প্রতিষেধকের কার্যকারিতা নিয়ে আর কোনও প্রশ্ন তুলবে না কেউ।

আরও পড়ুন – //sangbadtv.com/coronavirus-will-end-in-less-than-2-years/

 

শুধু করোনাই নয়, যে কোনও রোগেরহ টিকা বাজারে আনার আগে প্রয়োজন গবেষণা। সেক্ষেত্রে হিউম্যান ট্রায়াল পদ্ধতি বহু পুরনো। ১৭৯৬ সাল থেকেচলে আসছে এই প্রথা। গোটা প্রক্রিয়া যথেষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ। করোনার সম্ভাব্য প্রতিষেধকের হিউম্যান ট্রায়ালের জন্য প্রথমে সুস্থ, কোমর্বিডিটিহীন স্বচ্ছাসেবকদের প্রয়োজন। তাঁদের শরীরে বাজারে আসতে চলা টিকার পরীক্ষা মূলক প্রয়োগ করা হবে। এরপর নির্দিষ্ট সময়ে যখন অ্যান্টিবডি তৈরি হবে তখন ওই স্বেচ্ছাসেবকদের শরীরে জেনে বুঝেই করোনা ভাইরাস প্রবেশ করানো হবে। যেকারণে প্রাণ সংশয় পর্যন্ত হতে পারে। করোনা ভাইরাস শরীরে প্রবেশের পর ওই স্বেচ্ছা সেবকরা যদি আক্রান্ত হন তাহলে ধরে নিতে হবে টিকার প্রয়োগ সফ হয়নি। কিন্তু টিকা প্রয়োগ করা ব্যক্তিদের কেউ যদি আক্রান্ত না হন তবে প্রমাণ হবে যে ভ্যাক্সিনের প্রয়োগ সফল হয়েছে। এটি করোনা মোকাবিলায় কার্যকরী। তারপর বাজারে বিক্রির ছাড়পত্র মিলতে পারে। তবে সেই সব মানুষদেরকেই হিউম্যান ট্রায়ালের জন্য বেছে নেওয়া হবে যাদের শরীরে করোনাকে প্রতিরোধ করার মতো রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা রয়েছে।

আরও পড়ুন – //sangbadtv.com/gandhiji-spectacles-set-auction-record-in-uk/

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২১-এর জানুয়ারিতে পূর্ব লন্ডনেরএকটি কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে হতে পারে ট্রায়াল।যার আয়োজক ‘ওয়ান ডে সুনার’ নামে এক সংস্থা। সরকারের অনুমোদন পেলেই করা হবে হিউম্যান ট্রায়াল। সরকারের অনমতি দেওয়া নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী এই সংস্থা। ইতিমধ্যেই তাঁরা স্বেচ্ছাসেবকদের নাম নথিভুক্তকরণের কাজ শুরু করেছেন। সাড়াও মিলছে প্রচুর। ২০০০ জন স্বেচ্ছাসেবক নাম লিখিয়েছেন একদিনেই।

Loading...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here