বিজেপির বাগনান বনধ কতটা সফল?

0
3776

নিজস্ব প্রতিবেদন (২৯.১০.২০২০) পল্লবী সান্যাল : উৎসবের মরশুমেও অব্যাহত রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা। রাজ্যে যেভাবে একের পর এক বিজেপি কর্মীর মৃত্যুতে শাসকদলের নাম জড়াচ্ছে তাতে এমনটাই মনে করছেন রাজনীতিবিদরা।

নিহত দলীয় কর্মীদের দেহ ফেরতের দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আর সেকারণেই বৃহস্পতবার ১২ ঘণ্টার বাগনান বনধের ডাক দিয়েছে গেরুয়া বাহিনী। মহাষ্টমীর রাতে কাজ থেকে বড়ি ফেরার পথে গুলি করে খুন করা হয় বিজেপি কর্মী কিংকর মাঝিকে। একই সঙ্গে তিনি ফুলের ব্যবসাও করেন বলে খবর স্থানীয় সূত্রে। তাঁর মৃত্যুতে শাসকদলকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে দল। যদিও তৃণমূলের তরফে অভিযোগ অস্বীকার কর বলা হয়েছে, এই ঘটনায় শাসকদল জড়িত নয়। বরং পারিবারিক সমস্যা থেকেই এমনট ঘটেছে।

কিংকরের মৃত্যুতে তাই হাওড়ার বাগনানে ১২ ঘণ্টার বনধ পালন করছে বিজেপি। বড়সড় কোনও অশান্তির খবর না পাওয়া গেলেও খোলা রয়েছে এলাকার কিছু দোকান ও বাজার। বাগনান স্টেশনের দক্ষিণ দিকের দোকানপাট খোলা থাকলেও ঝাঁপ বন্ধ স্টেশনের উত্তর দিকের দোকানগুলির। যান চলাচল পুরোপুরি স্তব্ঝ না হলেও অন্যান্য দিনের তুলনায় কম। অটো চলছে।

তবে আশান্তি ঠেকাতে এলাকায় মোতয়েন রয়েছে ব়্যাফ। রয়েছে পুলিশি পাহারাও।

উল্লেখ্য, কিংকরকে কে বা কারা কেন গুলি করল সে সম্পর্কে জানা গিয়েছে, কথা কাটাকাটির জেরে প্রতিবেশী পরিতোষ মাঝি ও তার সাকরেদরা মিলে গুলি চালায়। গুলি লাগে কিংকরের পেটে। এরপর প্রথমে পটলডাঙ্গা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখান থেকে আবার উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালে স্থানানতরিত করা হয়। শেষে কলকাতার নীলরতন সরকার হাসপাতাল ভর্তি করা হয় ওই বিজেপি নেতাকে। অস্ত্রোপচারও করা হয়। কিন্তু বাঁচানো সম্ভব হয়নি তাঁকে। এদিকে কিংকরের কোভিড টেস্ট করা হলে রিপোর্ট পজিটিভ আসে বলে দাবি করে পুলিশ। যে কারণে কিংকরের দেহ পরিবারের হাত তুলে দেওয়া হয়নি। বিজেপির পাল্টা দাবি, করোনাটা একটা অজুহাত মাত্র। বুধবার কিংকরের মৃত্যুর পরই দফায় দফায় অশান্তির ঘটনা ঘটে বাগনানে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here