কলার বড়ার পায়েস

0
325

নিজস্ব প্রতিবেদন (দেবস্মিতা ঘোষ)২৫.১০.২০২০

কলকাতার একদম পাশের জেলা হচ্ছে হাওড়া আর সেই হাওড়াও বনেদিয়ানা পিছিয়ে নেই ।শিবপুর রায়চৌধুরী বাড়ির পুজো সম্ভবত হাওড়ার সবচেয়ে পুরনো পুজো ।রাজা রামমোহন রায় চৌধুরী স্বপ্নাদেশে পেয়ে এই পুজো শুরু করেন।১৬৮৫ সালে শিবপুর রায়চৌধুরী

বাড়িতে পুজো শুরু হয় এবং যা আজও সমান আড়ম্বরের সঙ্গে পালন হয়ে আসে।

 এখানেও মায়ের পায়ে নিবেদন করা হয় আমিষ এবং নিরামিষ দুই রকমের ই পদ তবে নিরামিষ একটি পদ এদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য। তাহলো কলার বরা ।আজ আপনাদেরকে শেখাবো সেই রেসিপি।

উপকরণ-

দুটো পাকা কলা

১ কাপ নারকেল গুঁড়ো

হাফ কাপ ময়দা

তেল

দুধ

গোবিন্দভোগ চাল

কাজু

কিসমিস

ছোট এলাচ

এবং তেজপাতা

প্রণালী-

একটি পাত্রে গুড় ও নারকেল ভালো করে মাখিয়ে তা একটি কড়াইয়ে বসিয়ে ৭ থেকে ৮ মিনিট নাড়াচাড়া করুন, যতক্ষণ না নারকেল এবং গুড় মিশে যাচ্ছে একে অপরের সাথে। রান্না হয়ে গেলে তা রুম টেম্পারেচার এ ঠাণ্ডা হতে দিন। এরপর  একটা পাত্রে কলা দুটো নিয়ে ভালো করে চটকে নিয়ে ওই নারকেল এবং গুড়ের মিশ্রণ এবং ময়দা দিয়ে ভালো করে মাখান ।মাথায় রাখতে হবে যাতে একটু গাঢ়ো হয় ।এরপর একটা কড়াইয়ে তেল নিয়ে এই মিশ্রণ থেকে ছোট ছোট বল করে সেগুলো কে ভাজুন যতক্ষণ না সোনালী রং হচ্ছে। কিসমিস গুলোকে জলে ভিজিয়ে রাখাই ভালো। চাল টাকে প্রায় ১৫ মিনিট মতন ভিজিয়ে রেখে বাকি জলটা ফেলে দিয়ে তা শুকনো করে নিতে হবে।

এবার একটা পাত্রে দুধ বসিয়ে তার মধ্যে তেজপাতা এবং ছোট এলাচ দিয়ে ১৫ থেকে কুড়ি মিনিট মাঝারি আঁচে ফোটান।এরপর এই দুধের মধ্যে চাল দিয়ে মাঝারি আঁচে বসিয়ে নাড়াচাড়া করুন। কিছুক্ষণ এটা ফোটার পরে তার মধ্যে কাজু ,কিসমিস দিয়ে আরো ৮ থেকে ১০ মিনিট নাড়াচাড়া করুন যতক্ষণ না দুধ এবং চাল মিশে গিয়ে একটু গাঢ়ো হচ্ছে। তারপর কলার বরা গুলো দিয়ে আরও দুই থেকে তিন মিনিট এই জিনিসটাকে ফোটান। নামিয়ে ওপর থেকে  গুড় দিয়ে একটু রেখে দিন যতক্ষণ না দুধের সঙ্গে সুন্দর ভাবে মিশে যাচ্ছে। তারপর ঠাণ্ডা হয়ে গেলে পরিবেশন করুন সুস্বাদু কলার বরার পায়েস।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here