সহজ উপায় বাড়িয়ে তুলুন স্তনের সৌন্দর্যতা…

0
98

সংবাদটিভি ওয়েবপেজ…

আসলে একটু বয়স বাড়ার সাথে সাথে নারীদের দেহের গঠনের বিশেষ পরিবর্তন আসে। বিশেষ করে মেযেদের বিশেষ কিছ অংশে এই পরিবর্তন বিশেষভাবে লক্ষ্য করা যায়। তবে আজকের প্রশ্ন যেহেতু স্তন ফর্সা করা বিষয়ের উপর তাই শুধু মাত্র স্তন ফর্সা করার বিষয়ে লেখা হল।

স্তন ফর্সা করার উপায়: স্তন হল স্তন্যপায়ী প্রাণীদের শরীরে দুগ্ধ (স্তন্য) উৎপাদনকারী গ্রন্থি। স্ত্রী এবং পুরুষ উভয়লি স্তন থাকলেও একমাত্র স্ত্রী প্রাণীই দুগ্ধ উৎপাদনে সক্ষম। বয়ঃসন্ধিকালে অর্থাৎ যৌবনাগমনে স্ত্রী শরীরে স্তন বিকশিত হতে আরম্ভ করে এবং আকারে বৃদ্ধি পায় ও স্থুলতা লাভ করে। সাধারণত ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সের মধ্যেই স্তনপরিণতি সম্পূর্ণ হয়।। পুংশরীরে স্তন থাকলেও তা অপরিণত অবস্থাতেই থাকে এবং কয়েকটি বিরল ক্ষেত্র ব্যতীত তা থেকে দুগ্ধ নিঃসরণ হয় না। যৌবনপ্রাপ্ত স্ত্রীশরীরে পুষ্ট স্তনের আভাস প্রকটভাবে ফুটে ওঠে। প্রকৃতপক্ষে স্তন স্বেদগ্রন্থিরই বিবর্তিত রূপ। স্তন্যপায়ী প্রাণীর শরীরে স্বেদগ্রন্থি বিবর্তন লাভ করে স্তনে রূপান্তরিত হয়। মানবশরীরে দু’টি স্তন থাকে কিন্তু অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীদের বহুক্ষেত্রেই দুইয়ের অধিক স্তন পরিলক্ষিত হয়। যৌন মিলনের সময় উত্তেজিত অবস্থায় নারী ও পুরুষ উভয়েরই স্তনের বোঁটা ফুলে ওঠে ।

খাঁটি দুধের সাথে কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল দিয়ে স্তনে মালিশ করুন। মালিশ করবেন নিচের থেকে উপরের দিকে। এতে দুধেতে রক্ত সঞ্চার স্বাভাবিক হবে ও সুডৌল হবে। মালিশ করার পর ঠান্ডা জলে স্নান করুন। আশাকরা যায় উপরোক্ত পদ্ধতি মেনে চললে স্তন ফর্সা হওয়ার পাশাপাশি সুন্দর ও আকর্ষণীয় হবে। কারো তাড়াতাড়ি এবং কারো কারো ক্ষেত্রে দেরিতে ফলাফল লক্ষ্য করা যায়।

মানব মিলনতার ক্ষেত্রে স্তনের ভূমিকা রয়েছে। স্তন, বিশেষত স্তনের বোঁটায় বহুসংখ্যক স্নায়ুকোষ বিদ্যমান, এজন্য এগুলো অত্যন্ত সংবেদনশীল। মিলন ক্রিয়ার সময়ে কিংবা তার আগে হাত দ্বারা স্তন মর্দন একটি অতি সাধারণ ঘটনা। উত্তেজনার ফলে স্তনের আকৃতি বৃদ্ধি পায়, স্তনের শিরাবিন্যাস স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয় এবং স্তনের বোঁটা শক্ত হয়। অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর তুলনায় মানব নারীদেহের স্তন সমূহ তুলনা মূলকভাবে বড় হয়।বহু মানুষ নারীদেহের স্তনকে আনন্দদায়ক বা উত্তেজনাকর বলে মনে করে। প্রাচীন ভারতে নখ দ্বারা স্তন খোঁচানো এবং দাঁত দ্বারা স্তন কামড়ানোকে যৌনতার অঙ্গ হিসেবে বিবেচনা করা হত।

এছারাও যে কোন সসস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। সুস্থ থাকুন।ভালো থাকুন।

Loading...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here