শীতকালে খুশকির সমস্যায় ভুগছেন? মেনে চলুন এই ঘরোয়া উপায়…

0
99

সংবাদটিভি ওয়েবপেজ

শীতকালে সবথেকে বেশি এই খুশকির সমস্যা দেখা যায়। মাথার ত্বকের এই মৃতকোষই খুশকি।আর যখন এই মৃত কোষগুলো ঝরে যায় তখন সেগুলিকে খুশকি বলা হয়। খুশকি ছেলে মেয়ে উভয়েরই হয়য় থাকে। খুশকির সমস্যাটি ভীষণ রকম অস্বস্তিকর হলেও সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে এটি দূর করা যায়।কতকগুলি ঘরোয়া পদ্ধতি অবলম্বনের দ্বারা এই খুশকি পড়া রোধ করা যেতে পারে। একনজরে জেনে নিন পদ্ধতিগুলি কি কি…

১) ১ টেবিল চামচ লেবুর রস এবং ৫ টেবিল চামচ নারিকেল তেল একসাথে মেশান। এবার এই মিক্সার মাথার তালুতে ব্যবহার করুন। ২০-৩০ মিনিট পর ভাল শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
২) নিমপাতা পিষে পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। এবার মাথার শুষ্ক খুলিতে এই পেস্ট সরাসরি প্রয়োগ করুন। আধাঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন।
৩) প্রথমে ৩-৪ টুকরা লেবু নিন এবং ৪-৫ কাপ জলের মধ্যে দিয়ে ১৫-২০ মিনিট ধরে সেদ্ধ করুন। এরপর এটি ঠাণ্ডা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এবার আপনার মাথার চুল ধোয়ার সময় এটি ব্যবহার করুন। কমপক্ষে ১ সপ্তাহ এটি ব্যবহার করবেন।
৪) ২ টেবিল চামচ মেথি সারারাত ধরে জলে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর সকালে তা দিয়ে সুন্দর করে পেস্টের মত বানিয়ে ফেলুন। এই পেস্ট আপনার চুলে এবং মাথার তালুতে ব্যবহার করুন কমপক্ষে ৩০ মিনিট। এরপর ধুয়ে ফেলুন। ভাল ফলাফলের জন্য অন্তত ৪ সপ্তাহ ব্যবহার করুন।
৫) স্নানে যাওয়ার আগে লেবুর রস দিয়ে আপনার মাথার তালুতে ম্যাসাজ করুন। ১৫-২০ মিনিট পর মাথা ধুয়ে ফেলুন।
৬) সমপরিমান জল এবং ভিনেগার দিয়ে মিক্সার তৈরি করুন। রাতে মিক্সারটি মাথার তালুতে লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। সকালে উঠে বেবি শ্যাম্পু দিয়ে হালকাভাবে চুল ধুয়ে ফেলুন।

আরও পড়ুন…সহজ এই ঘরোয়া উপায় টনসিলের ব্যথা থেকে মুক্তি পান…
৭) সামান্য পরিমাণ দধি চুলে এবং মাথার তালুতে লাগিয়ে রাখুন। এটা ১ ঘণ্টা রেখে দিন। এরপর হালকাভাবে বেবি শ্যাম্পু ব্যবহার করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত দুইবার এই পদ্ধতি অবলম্বন করুন।
৮) দু’টো ডিম ভাঙুন এবং এটি পেস্ট আকারে মাথার তালুতে লাগান। এক ঘণ্টা পর ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। এই পদ্ধতি খুশকি দূর করতে এবং চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে।
৯) হালকা উষ্ণ বাদাম তেল, নারিকেল তেল অথবা অলিভ ওয়েল মাথার তালুতে ম্যাসাজ করতে পারেন। এতে খুশকি দূর হয়।

এছাড়াও পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে, দুশ্চিন্তা থেকে নিজেকে দূরে রাখার চেষ্টা করুন।সব সময় পরিষ্কার চিরুনি ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। এবং যে কোন সসস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। সুস্থ থাকুন।ভালো থাকুন।

Loading...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here