খুব অল্পতেই হাঁপিয়ে ওঠেন?সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রনে আছে তো?

0
105

সংবাদটিভি ওয়েবপেজ

সুগার এমন একটি রোগ জুয়ার থেকে ধীরে ধীরে ক্ষতি হতে থাকে শরীরের নানান অঙ্গের। কেটে গেলে অনেক সময়য় ঘা শুকাতে চায় না যদি সুগারের মাত্রা বেড়ে যায়। এছারাও আরও অনেক সমস্যা দেখা দিতে থাকে ধীরে ধীরে। তাই সব সময় সুগার নিয়ন্ত্রনে রাখার চেষ্টা করুন। একনজরে জেনে নিন কি কি লক্ষণ আপনার শরীরে দেখা দিলে বুঝবেন সুগারের মাত্রা বেরেছে…

১) শরীরে সুগারের মাত্রা বেড়ে গেলে তার কুপ্রভাব পড়ে আমাদের দৃষ্টিশক্তির উপরেও। এর ফলে দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা তৈরি হয়।

২) শরীরের কোনও অংশে কেটে বা ছড়ে গেলে তা না শুকানো এবং শুকাতে অনেক বেশি সময় লাগার বিষয়টিও শরীরে সুগারের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। এই সব লক্ষণ দেখা গেলে অবহেলা না করে যত দ্রুত সম্ভব চিকিত্সকের পরামর্শ মেনে রক্ত পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া উচিত।

৩) খুব অল্পতেই হাঁপিয়ে ওঠা রক্তে সুগারের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার একটি অন্যতম লক্ষণ। রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে গেলে শরীরে পর্যাপ্ত জলের অভাব হয়। আর ডিহাইড্রেশনের ফলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে।

৪) চিকিত্সকদের মতে, রক্তে শরীরে সুগারের মাত্রা বেড়ে গেলে তা কিডনির উপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করতে থাকে শরীর থেকে সুগার বের করে দেওয়ার জন্য। সে জন্যই ঘন ঘন প্রস্রাব পায়।

আরও পড়ুন…মিলেটারিতে চাকরি করতে হলে শরীরের কোন অংশ কেটে বাদ দিতে হয়?

৫) ডায়েট বা ব্যায়াম না করেই হুট করে অনেক বেশি ওজন কমতে থাকা শরীরে সুগারের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।

৬) হাত ও পায়ের আঙুল বা পুরো হাত অবশ বোধ করা রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার অন্যতম একটি লক্ষণ। পরিস্থিতি মারাত্মক পর্যায়ের পৌঁছে গেলে তখন এই লক্ষণ প্রকাশ পায়।

৭) যখন শরীর থেকে অতিরিক্ত সুগার বাইরে বের করে দেয়ার জন্য কিডনিতে চাপ পড়ে, তখনই ঘন ঘন প্রস্রাব পায়। এই সময় কিডনি শরীরের কোষ থেকে ফ্লুইড নিতে থাকে। এর ফলে শরীরে জলের ঘাটতি হতে থাকে, তাই ঘন ঘন জল তেষ্টা পায়।

অবশ্যই এই সকল লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।সুস্থ থাকুন।ভালো থাকুন।

Loading...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here