ঠাণ্ডা গরমে জ্বর হচ্ছে চারিদিকেই, হুট করে প্যারাসিট্যামল খেয়ে নিচ্ছেন নাতো ?

0
107

সংবাদটিভি ওয়েবপেজ 

সামান্য গা হাত পা ব্যথা হতে না হতেই প্যারাসিটামল খেয়ে ফেলার অভ্যাস অনেকেরই রয়েছে। জ্বর জ্বর ভাব কাটানোর জন্যও ব্যবহার করেন প্যারাসিটামল। কাজের চাপে নিত্য ব্যস্ততার জীবনে এই সামান্য রোগ নিরাময়ের জন্য আর কেউ সময় পান না চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার জন্য।চিকিত্সকদের মতে, শরীরের তাপমাত্রা ১০১ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি না হওয়া পর্যন্ত জ্বরের ওষুধ না খাওয়াই ভাল। কিন্তু  চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই  ঘন ঘন প্যারাসিটামল খাওয়া শরীরের জন্য অতন্ত্য ক্ষতিকর। একজনরে জেনে নিন প্যারাসিটামল ঘন ঘন কেনো খাওয়া উচিত না…

১) চিকিত্সকদের মতে, শরীরের তাপমাত্রা ১০১ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি না হওয়া পর্যন্ত জ্বরের ওষুধ না খাওয়াই ভাল। কারণ, ভাইরাল ফিভার নিজে থেকেই সেরে যায়।

২) সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষকের দাবি, গর্ভাবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাত্রাতিরিক্ত প্যারাসিটামল খেলে অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপার অ্যাকটিভিটি ডিসর্ডার (ADHD) বা অটিস্টিক স্পেকট্রাম ডিসর্ডার (ASD)-এর মতো মারাত্মক স্নায়ুরোগ দেখা দিতে পারে।

৩) দৈহিক ব্যথার উপশমে অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্যারাসিটামলই ব্যবহৃত হয়। মাথাব্যথা, গলাব্যথা, পেশির ব্যথা, দাঁতের ব্যথা, ঋতুকষ্ট ইত্যাদিতে প্যারাসিটামল খুবই কার্যকর। চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়াই এটি বিক্রি হয় এবং যে কেউ কিনতে পারেন। তবে তাই বলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া প্যারাসিটামল ব্যবহার করা একেবারেই অনুচিত।

৪) মাথাব্যথা, গলাব্যথা, পেশির ব্যথা, দাঁতের ব্যথা, ঋতুকষ্ট ইত্যাদিতে প্যারাসিটামল খুবই কার্যকর। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৫০০ মিলিগ্রামের একটি ট্যাবলেট, কখনও প্রয়োজনে দুটিও খেতে হতে পারে।

আরও পড়ুন…অল্প কিছুতেই টেনশন করতে থাকেন ? খুব সহজেই প্রতিকূল অবস্থায় নিজেকে টেনশন মুক্ত রাখবেন কি করে জেনে নিন…

৬) গা ব্যথা বা জ্বরের জন্য তিন দিন পর্যন্ত প্যারাসিটামল খাওয়া যেতে পারে। তিন দিনে সমস্যা না কমলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৭) প্যারাসিটামলের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সাধারণত গুরুতর নয়। তবে শিশুদের বয়স আর ওজন অনুযায়ী প্যারাসিটামল দেওয়া উচিত। তাই শিশুদের প্যারাসিটামল খাওয়ানোর ক্ষেত্রে আগে চিকিৎসকের পরামর্শ অবশ্যই নিতে হবে।

৮) ৪০০০ মিলিগ্রামের বেশি প্যারাসিটামল খাওয়া মোটেই উচিত নয়। কারণ তাতে কিডনি ও লিভারের মারাত্মক ক্ষতির ঝুঁকি থাকে।

এছারাও যে কোন সসস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। সুস্থ থাকুন।ভালো থাকুন।

Loading...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here