হেডফোন ছাড়া চলতেই পারেন না?জানেন কান ছারাও ভয়ঙ্কর কি ক্ষতি করছেন নিজের?

0
139

সংবাদটিভি ওয়েবপেজ 

সারাক্ষণ মোবাইল ফোন নিয়ে ব্যস্ত এখন নতুন প্রজন্মের সকলেই। কিন্তু এই টেকনোলজির ব্যাস্ততায় অজান্তেই নিজের কিভাবে ক্ষতি করে জাচ্ছেন তা কমবেশি সকলেরই অজানা। অতিরক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহারেতো ক্ষতি হচ্ছেই, তাঁর সাথে আরও বেশি ক্ষতি হচ্ছে যখন মোবাইল ফোনের সাথে হেডফোন ও ব্যবহার করছেন সারাক্ষণ। রোজ বাড়ি থেকে অফিস যাওয়ার পুরো সময়টা কানে হেডফোন গুঁজে রাখেন। রাস্তার কোলাহল, ট্রেন-বাসের হর্ন-এর আওয়াজ এড়াতে হেডফোনের ব্যবহার করেন নিয়মিত। হেডফোন এবং ইয়ারফোন ছাড়া জীবন-যাপনের কথা ভাবতেই পারেন না। দিনের অনেকটা সময় কানে থাকে হেডফোন। যদি এমনই অভ্যেস হয় আপনার তা হলে এখনও সাবধান হওয়ার সময় এসেছে। কারণ, দীর্ঘ সময় হেডফোন ব্যবহারের ফলে হতে পারে মারাত্মক সমস্যা। একনজরে জেনে নিন দীর্ঘ সময় হেডফোন ব্যবহারের ফলে কী কী ক্ষতি হতে পারে-


১)কানে ব্যথা- অতিরিক্ত হেডফোন ব্যবহারের জন্য অনেকেই কানের ব্যথা অনুভব করেন। মাঝে মাঝে কানের ভেতরে ভোঁ ভোঁ আওয়াজ হয়।

২)মস্তিষ্কে প্রভাব- হেডফোন থেকে সৃষ্ট ইলেক্ট্রম্যাগনেটিক তরঙ্গ মস্তিষ্কের জন্য গুরুতর বিপদ ডেকে আনতে পারে। ব্লুটুথ হেডফোন ব্যবহারকারীদের এক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি। মনে রাখবেন, কানের সঙ্গে মস্তিকের যোগাযোগ কিন্তু সরাসরি।

৩)শ্রবণে সমস্যা- হেডফোন বা ইয়ারফোন ব্যবহার করলে সরাসরি অডিও কানে যায়। ৯০ ডেসিবেল বা তার বেশি মাত্রার আওয়াজ সরাসরি কানে গেলে শ্রবণে সমস্যা হতে পারে। চিরতরে শ্রবণ শক্তি হারাতে পারেন। দীর্ঘ সময় হেডফোনের ব্যবহার করতে হলে কিছুক্ষণ বিশ্রাম দিতে ভুলবেন না। হাই ভলিউম-এ গান শুনবেন না।

৪)কানের ইনফেকশন- ইয়ারফোন কারও সঙ্গে ভাগ না করাই ভাল। না হলে কিন্তু সহজেই কানে সংক্রমণ হতে পারে। অন্য কারও কান থেকে ব্যাকটেরিয়া সহজেই হেডফোন-এর মাধ্যমে আপনার কানে আসতে পারে।

আরও পড়ুন…রাত্রে ঘুম আসতে চায় না ? এই নিয়মগুলি মেনে চললে সহজেই মিলবে এর সমাধান…

৫)বাতাস প্রবেশে বাধা- হেডফোন কোম্পানিগুলি এখন তাদের হেডফোনের অডিও এক্সপেরিয়েন্স এর দিকে বাড়তি নজর দিয়েছে। ফলে সাউন্ড কোয়ালিটি বজায় থাকে। বেশিরভাগ হেডফোন এয়ার-টাইট। অর্থাত্ কানে বাতাস প্রবেশ করতে পারেনা। যার ফলে ঝুঁকি থেকেই যায়।

৬)অল্প সময়ের জন্য বধির- একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, দীর্ঘ সময় হাই ভলিউম-এ গান শুনলে হেডফোন খোলার পরও কিছুক্ষণ ভালোভাবে কানে শোনা যায় না। টানা ১৫ মিনিট ১০০ ডেসিবেলের বেশি মাত্রায় গান শুনলে বধির হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।

কোন জিনিসই অতরিক্ত ভালো হয় না শরীরের পক্ষে। তাই চেস্টা করুন টেকনোলজির জগত থেকে একটু বেড়িয়ে এসে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে অনুভব করার। এবং অবশ্যই যেকোনো রকম সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সুস্থ থাকুন। ভালো থাকুন।

Loading...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here