বিশ্বের নিষিদ্ধ কিছু জায়গা , যেখানে মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ

0
159

বিশ্বের নিষিদ্ধ কিছু জায়গা , যেখানে মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ

নিজস্ব সংবাদদাতা(সঞ্চিতা গাঙ্গুলী),৩১.০৮.২০১৯

পৃথিবীর এমন অনেক গোপনীয়তা আছে যা চাইলেও একজন সাধারণ মানুষ জানতে পারে না, এমন অনেক স্থান আছে যা সাধারণ মানুষের জন্য নিষিদ্ধ। পৃথিবীর সবচাইতে গোপন কিছু  স্থানের তথ্য রইলঃ

  •  হোয়াইট জেন্টেলমেন’স ক্লাব ঃ  এটা মূলত ডিজনিল্যান্ডের ক্লাব ৩৩ এর মত একটি ক্লাব। পৃথিবীর সবচেয়ে অভিজাত ক্লাব হিসেবে ধরা হয় এটাকে। লন্ডনে অবস্থিত ক্লাবটিতে শুধুমাত্র সমাজের অভিজাত শ্রেণীর মানুষেরই পদচিহ্ন পড়ে। অবশ্য ক্লাবটির শুরুর ইতিহাস ভিন্ন কথা বলে। ফ্রাঞ্চিস বিয়াঙ্কো নামে এক লোক এটা তৈরি করে নতুন ধরনের চকলেট বিক্রির জন্য, অথচ এটা এখন পৃথিবীর সেরা ক্লাব গুলোর একটি। এই ক্লাবের সদস্য হওয়া রীতিমত একটি সম্মানের বিষয়।

  • এরিয়া ৫১:যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডায় অবস্থিত এটা একটি মিলিটারি বেইজ এবং পৃথিবীর সবচেয়ে “সিকিউর” এলাকাগুলোর একটি। এর নিজস্ব এলাকার বাইরেও একটা বিশাল এলাকা জুড়ে সাধারণ মানুষের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কী করা হয় ওখানে? পৃথিবীর একটা বিশাল অংশের মানুষের ধারনা ওখানে এলিয়েন নিয়ে গবেষণা করা হয়।

 

  • র‍্যাফ মেনউইথ হিল ঃ সারা বিশ্বের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে এক বিস্ময়ের নাম এই মেনওয়িদ হিল। এটা আমেরিকার ইয়র্কশায়ারে অবস্থিত। এটা একটি মিলিটারি বেইজ যা ইখেলন গ্লোবাল স্পাই নেটওয়ার্কিং এর সাথে সংযুক্ত। আমেরিকা আর ইংল্যান্ডকে ইন্টিলিজেন্স সাপোর্ট দেওয়ার জন্যই এটা তৈরি করা হয়। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ইলেকট্রনিক মনিটরিং স্টেশান এখানেই রয়েছে। তবে পুরো জায়গার চারপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা এতটাই জটিল সাধারণ মানুষের ওই পুরো এলাকায় ঢোকা এক্কেবারেই অসম্ভবের পর্যায়ে পড়ে।

  • গ্র্যান্ড শ্রাইন অফ জাপান ঃ জাপানের সবচেয়ে গোপনীয়,পবিত্র এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থান। খ্রিস্টপূর্ব ৪ সালে এটা নির্মাণ করা হয় বলে ধারনা করা হয়। জাপানের রাজকীয় পরিবার আর প্রিস্ট ছাড়া এখানে আজ পর্যন্ত কেউ প্রবেশ করতে পারেনি। এই শ্রাইনটি প্রতি ২০ বছর পরে ভেঙ্গে আবার নতুন করে নির্মাণ করা হয়। ইতিহাসবিদদের মতে এককালের জাপানিজ সাম্রাজ্যের অনেক পুরনো মূল্যবান নথিপত্র ওখানে লুকায়িত আছে।

  • ভ্যাটিকান সিক্রেট আর্কাইভ ঃ যীশুর আমলের আগ থেকেই পৃথিবীর অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাসের সাক্ষী এই ভ্যাটিকান। এই জায়গাটিকে storehouse of secret বলা হয়। খুব কম সংখ্যক স্কলারই এই জায়গায় ঢুকতে পারেন, তাও পোপের বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে।ধারনা করা হয় খ্রিষ্টান, মেসনারি, প্যাগান আরও অনেক ধর্ম আর মতবাদের অনেক গোপন ডকুমেন্ট এখানে সংরক্ষিত আছে।

  • রুম ৩৯ঃ ১৯৭০ সালে গঠিত এই অরগেনাইজেসনটি উত্তর কোরিয়ার একটি সিক্রেট অরগেনাইজেসন। ঠিক কী উদ্দেশ্য নিয়ে এটা গঠিত হয় তা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে এই অরগেনাইজেসনটিকে পৃথিবীর অনেক বড় বড় অপরাধের সাথে জড়িত বলে ধরা হয় এবং এই কাজগুলো সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় তত্ত্বাবধানেই করা হয়। আমেরিকান ডলারের নকল ভার্সন অথবা জাল ডলার যেটি পৃথিবীর সব গোয়েন্দা সংস্থা অথবা আমেরিকার মত দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। , এগুলো ছিল মূল ডলারের মতই উন্নতমানের কটন- লিনেন বেন্ড দিয়ে তৈরি এবং আমেরিকার মুদ্রার অনেক সিকিউরিটি ফিচার এখানে রিক্রিয়েট করা হয়েছিল। এই পুরো ব্যাপারটার জন্য রুম ৩৯ এর দিকেই আঙ্গুল তোলা হয়েছিল সরাসরি।

  • ক্লাব ৩৩ ডিসিনিল্যান্ড ঃ ডিজনিল্যান্ড একটি বিনোদনের জায়গা। পুরো জায়গাটিই সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত শুধুমাত্র ক্লাব ৩৩ ছাড়া। খুব খুব রেস্ট্রিক্তেড করে রাখা হয়েছে ওই জায়গাটি।এই ক্লাবটির সদস্য হতেই আপনার প্রায় ১৪ বছর সময় লাগবে।

  • মস্কো মেট্রো ২ঃ এটা রাশিয়ায় অবস্থিত। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আন্ডারগ্রউন্ড সিটি এটি। কিন্তু এখন পর্যন্ত রাশিয়ার সরকারের তরফ থেকে কখনোই এর অস্তিত্ব স্বীকার করে নেওয়া হয়নি। স্তালিনের আমলে এই শহর তৈরি করা হয়েছিল। একটা বিশাল অংশের মানুষ মনে করে এটা ক্রেম্লিনের সাথে fsb headquarter এর সংযোগ স্থাপন করেছে।
Loading...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here