লুকিয়ে-চুরিয়ে কাকে পোড়ালো? ……….

0
4495

নিজস্ব প্রতিবেদন (মৌটুসি রায়)৩/১০/২০: কারও সঙ্গে কথাও বলতে দেওয়া হচ্ছিল না। দাবি পরিবারের। মেয়েকে শেষবারের মতো দেখার সুযোগও হয়নি। বলতে বলতে ডুকরেকেঁদে উঠলেন মৃতার মা। বললেন,‘মেয়ের মৃতদেহ একবার দেখারওসুযোগ পাইনি, দাবিহীন দেহের মতো জ্বালিয়ে দিল শরীরটা’। ‘যাকে জ্বালিয়ে দিল সে আমাদের মেয়ে কীনা কী করে জানব ? কেন আমরা তার অস্থি নিতে যাব ? ’শুধু তাই নয়, হাথরসে চলছে পদে পদে নজরদারি।

বললেন মৃতার ভাই।বাচ্চাদের জন্য দুধ আনতে গেলেও প্রশ্ন করছে পুলিশ। দাবি পরিবারের। জিভ কেটে দেওয়া হয়েছিল। যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল মেয়ে। তার মধ্যেই মাকে বলেছিল, বাড়ি নিয়ে চল। তার কথা রাখতে পারেনি পরিবার। হাসপাতালে বারবার ও বলছিল বাড়ি নিয়ে যেতে, বললাম এই অবস্থায়কী করে বাড়ি যাবে? ’, হাহাকার করে উঠলেন নির্যাতিতার মা। প্রশাসনের তরফে কেউ পাশে দাঁড়ানোর কথা বলেনি, জেলাশাসক বলেছিলেন টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দিতে । সত্য উদ্ঘাটনের ভয়েই সংবাদ মাধ্যমকে বাধা দাবি পরিবারের সদস্যদের।হাসপাতালে নির্যাতিতার চিকিৎসাও ঠিকঠাক হয়নি। দাবি পরিবারের। স্যালাইনের বোতল খালি ছিল বলে অভিযোগ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here