হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে চান…

0
1359

বাচ্চা থেকে বুড়ো চকলেট পছন্দ করে না এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না! চকলেট বার থেকে শুরু করে চকলেট কেক, চকলেট মিল্ক শেক, চকলেট ব্রাউনি, চকলেট পেস্ট্রি- নাম শুনলেই সকলের জিভে জল চলে আসে। চকলেট শুধু রসনার তৃপ্তি আনে তাই না, ডার্ক চকলেটের আছে নানা উপকারিতা। চকলেট তৈরির মূল উপাদান কোকোয়া বিনে আছে প্রচুর পরিমাণ এন্টি অক্সিডেন্ট। এন্টি অক্সিডেন্ট আমাদের শরীরের জন্য দারুণ উপকারি।

সাধারণত চকলেটের তিতকুটে স্বাদ দূর করতে এতে চর্বি ও চিনি যোগ করা হয়। কিন্তু এতে চকলেটের গুণাবলী অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়। তাই চকলেট থেকে উপকার পেতে যেসব চকলেটে কোকোয়ার পরিমাণ অন্তত ৭০ শতাংশ বা তার উপরে সেসব চকলেট খেতে হবে।

এন্টি অক্সিডেন্টে ভরপুর
চকলেটে আছে প্রচুর পরিমাণ পলিফেনল, ফ্যাভানল, ক্যাটেচিন ও এন্টি অক্সিডেন্ট। অন্যান্য অনেক ফল যেমন ব্লু বেরি, ক্র্যানবেরি ও বেদানার থেকেও এতে বেশি পরিমাণ এন্টি অক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে চকলেটের সাথে দুধ মেশালে চকলেটে থাকা এন্টি অক্সিডেন্টগুলো শরীরে শোষিত হয় না। তাই চকলেট থেকে উপকার পেতে Dairy Free চকলেট খান।
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
নানা গবেষণায় দেখা গেছে ডার্ক চকলেট রক্তে চিনি ও কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। চকলেটে থাকা এন্টিঅক্সিডেন্টগুলোই এলডিএল বা ব্যাড কোলেস্টেরল ও শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

অতি বেগুনি রশ্মি থেকে বাঁচায়
চকলেট তৈরির মূল উপাদান কোকোয়া ফ্লাভিনয়েডে ভরপুর। এই উপাদানটি ত্বককে সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি থেকে রক্ষা করে।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
চকলেট যেহেতু কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে তাই এটা হৃদরোগের ঝুঁকিও কমায়। বেশকিছু গবেষণায় দেখা গেছে সপ্তাহে এক থেকে দুইবার ডার্ক চকলেট খেলে তা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে অনেকাংশেই সাহায্য করে। দিনে এক টুকরো চকলেট স্ট্রোকের ঝুঁকিও হ্রাস করে।

মুড ভালো করে
চকলেট খেলে নিমেষে মন ভালো হয়ে যায়। ব্যাপারটা শুধু যে আমাদের মস্তিষ্কের একটা অনুভূতি তাই নয়, চকলেটে থাকা পলিফেনল বিষণ্ণতা ও দুশ্চিন্তা দূর করে মুড ভালো করতে সাহায্য করে। চকলেট খেলে প্রাকৃতিকভাবেই আমাদের শরীরে সেরাটনিনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। এই সেরাটনিনই আমাদের মস্তিষ্কে Feel Good বার্তা পাঠায়।

মস্তিষ্কের কার্যক্রম উন্নত করে
চকলেট আমাদের মস্তিষ্কের সক্ষমতা বাড়ায়। নিয়মিত চকলেট খেলে আমাদের শেখার সক্ষমতা বাড়ে। এটা দীর্ঘস্থায়ি স্মৃতি ও ক্ষণস্থায়ী স্মৃতি দুটোই সংরক্ষণে সাহায্য করে

নানা গুণের কারণে চকলেটকে বলা হয় সুপার ফুড। তাই সুস্থ থাকতেই শুধু নয় মুড ভালো করতে বা মস্তিষ্কের সক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত চকলেট খান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here