লেখকদের কাছে দুর্গা পুজো মানে শারদ সংখ্যা

0
75

পল্লবী সান্যাল : যারা লিখতে কিংবা পড়তে ভালোবাসেন তাদের কাছে দুর্গা পুজো মানেই শারদ সংখ্যা। নতুন প্রচ্ছদ, নতুন লেখা, লেখকদের সমারোহে চেনা পত্রিকা হয়ে ওঠে  এক কমপ্লিট প্যাকেজ। যেখানে পাতা জুড়ে কেবলই শরৎ আর দুর্গা পুজো।

দুর্গা পুজোর অনেক আগ থেকেই চূড়ান্ত ব্যস্ততা শুরু হয়ে যায় পত্রিকাগুলির দফতরে। শারদ সংখ্যার লেখা চেয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়া থেকে চলে লেখা ঝাড়াই বাছাইয়ের কাজ। বছরের পর বছর  গুণমান ধরে রাখাটাও একটা ব্যাপার। অন্যদিকে শারদ সংখ্যার কথা মাথায় রেখে দুর্গা পুজোর মাস কয়েক আগে থেকেই কলম ছোটান লেখকরা। শারদ সংখ্যায় নিজের লেখা, নিজের নাম ছাপার হরফে প্রকাশ পাবে সেটা সকল লেখকের কাছেই স্বপ্ন। বিশেষত যারা নতুন লিখছেন তাদের কাছে তো এক আলাদা অনুভূতি। লেখকদের মধ্যে যেমন শারদ সংখ্যায় স্বরচিত গল্প, উপন্যাস, কবিতা প্রকাশ নিয়ে  একটা উত্তেজনা থাকে ঠিক সেই রকমভাবেই পাঠকদের মধ্যে থাকে একটা উন্মাদনা। যারা ছাড়া লেখকরা অসম্পূর্ণ। লেখার জন্য যেমন লোক চাই পড়ার জন্যও তো তেমন পাঠক চাই। এই পাঠককুলের কাছে লেখা গ্রহণযোগ্য হলে তবেই সার্থকতা লাভ করেন একজন লেখক বা কবি।

আবার এমন অভিজ্ঞ ও দক্ষ লেখকও রয়েছেন যারা বহু বছর ধরে শারদ সংখ্যার জন্য লিখছেন। লেখা প্রকাশিত হচ্ছেও। তাদের কাছেও বিষয়টি সমান আবেগপূর্ণ।

সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে ডিজিটাল ই-বুক বা ম্যাগাজিনের রমরমা। সেখানেও চলছে শারদ সংখ্যার প্রস্তুতি। নবাগত লেখকই হোক বা অভিজ্ঞ কোনও লেখক পাঠকের কাছে সব লেখাই সমান গ্রহণ যোগ্য। কনটেন্টের সঙ্গে যদি একবার নিজেকে মেলাতে পেরেছেন ব্যাস। সেই লেখা যে পাঠকের মনোগ্রাহী হব তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এবছর পুজোর বাদ্যি বেজে গিয়েছে। এখন দেখার পত্রিকাগুলির  ২০২০-র শারদ সংখ্যায় কি বিশেষত্ব থাকছে?

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here