কৃষি বিল পাশের বিরোধিতায় যা করলেন ডেরেক ওব্রায়েন…

0
6461

নিজস্ব প্রতিবেদন (পল্লবী সান্যাল) ২০.০৯.২০২০ : বিরোধীদের আপত্তি সত্ত্বেও লোকসভার পর রাজ্যসভার ধ্বনিভোটেও পাশ হয়ে গেল কৃষিসংক্রান্ত বিল দুটি। রবিবার রাজ্যসভায় এই জোড়া বিল পেশ করেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর।তারপর যা হল তা এখন সংবাদমাধ্য়মগুলির কাছে আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।

বিল পাশের পর এদিন বিরোধীদের বিক্ষোভে আরও উত্তাল হয়ে ওঠে রাজ্যসভা। এরকম বেসামাল পরিস্থিতিতে ওয়েলে নামে রুল বুক ছেঁড়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েনের বিরুদ্ধে। রাজ্যসভার চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণের সামনে শুধু যে রুল বুক ছেঁড়ার চেষ্টা করেছেন তা নয়, চেয়ারম্যানের মাইক্রোফোনও কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন ডেরেক। এ নিয়ে ঘটে যায় এক ধুন্ধুমার কাণ্ড।যদিও রুল বুক ছেঁড়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাংসদ। তিনি বলেন, সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে খুনের চেষ্টা হচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য  বিরোধীদের বিক্ষোভে আগুনে ঘৃতাহুতির মতো। ক্রমেই বাড়তে থাকে বিরোধীদের উষ্ণতার আঁচ।

ডেরেকের কথায়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দাবি অনুযায়ী ২০২২-এ কৃষকদের আয় দ্বিগুণ হওয়ার কথা। তবে সাম্প্রতিককালের পরিস্থিতি বলছে ২০২৮-এর আগে তা সম্ভব নয়। তৃণমূল আপত্তি তুলেছে বিলগুলিতে গণবণ্টন ব্যবস্থা, ফসল কেনার প্রক্রিয়া, রাজ্যের অধিকারের মতো বিষয়গুলি নিয়ে। এরপর নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে দুটি ভিডিও পোস্ট করে ট্যুইট বার্তায় সাংসদ ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে লিখেছেন, বিরোধীরা কৃষি বিল নিয়ে ভোটাভুটি চেয়েছিল। কিন্তু কেন্দ্র তা মানেনি। কারণ ভোটাভুটি হলে বিল পাশ থমকে যেত। রাজ্যসভায় কৃষি বিল পাশ হওয়ার বিরুদ্ধে ছিল ১৩ থেকে ১৪ টি বিরোধী দল। বিল পাশের পর বিরোধীদের বিক্ষোভের ছবিটা দেখায়নি রাজ্যসভা টিভি। যা সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে এটি অত্যন্ত দুঃখের একটি দিন বলে উষ্মা প্রকাশ করেন ডেরেক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here