তোলাবাজি নিয়ে গোষ্ঠী কোন্দল শাসকদলের

0
95

নিজস্ব প্রতিবেদন(দেবস্মিতা ঘোষ) ২৩.০৭.২০২০ঃগভীর রাতে কয়েকজনকে এলোপাতাড়ি দায়ের কোপ সেইসঙ্গে চলল গুলি। ঘটনাটি ঘটেছে নদীয়া শান্তিপুর থানা এলাকায়। সূত্রের খবর, নদীয়ার শান্তিপুর পুরসভার 23 নম্বর ওয়ার্ডের মালঞ্চ পাড়া এলাকায় তোলাবাজি নিয়ে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, শান্তিপুর পৌরসভার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন উপ পৌরপতি আব্দুল সালাম নির্দেশে তার ছেলে মন্টু কারিগরের নেতৃত্বে এদিন হামলা চালায়। যাদের উপর হামলা চালিয়েছে তারা শান্তিপুরের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য সমর্থক বলে পরিচিত। মালঞ্চ এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় কর্মী রবিউল হোসেন বলেন, বেশ কয়েক বছর ধরেই শান্তিপুর পৌরসভার প্রাক্তন উপ পৌরপতি আবদুলসালাম কারিগর এবং তার ছেলের নেতৃত্বে এই এলাকায় তোলাবাজি চলে। প্রতিটি দোকান এবং বাড়ির উপর দিয়ে টাকার দেওয়ার জন্য জুলুম চালায় তারা। প্রতিবাদ করতে গেলে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে খুনের হুমকি দেখায় বলে অভিযোগ। গতকাল রাতেও এলাকায় ঢুকে মন্টু কারিগরের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী হাতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তোলাবাজি চালাচ্ছিল বলে অভিযোগ। ওই এলাকার তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী সাকিবুল হোসেন এবং মুনা কারিকর তোলাবাজির প্রতিবাদ করলে তাদের ওপর চড়াও হয় তারা। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয় সাকিবুল হোসেন এবং মোনা কারিগরকে। তাদের লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। স্থানীয়রা চিৎকার চেঁচামেচি শুনে ছুটে এলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। অভিযোগ এর পরেই রহিবুল হোসেনের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের বাড়িতে হামলা চালায় তারা। ভাঙচুর করা হয় বাইক কয়েকটি দোকান ঘর সহ একটি তাঁত ঘর। স্থানীয়রা আশঙ্কাজনক অবস্থায় সাকিবুল হোসেন এবং কারিগর কে শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে।অবস্থার অবনতি দেখে চিকিৎসকরা তাদের শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে।ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় শান্তিপুর থানার পুলিশ। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এখনো উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে এলাকা। এখনো চলছে শান্তিপুর পুলিশের টহলদারি। যদিও প্রাক্তন উপ পৌরপতি বিরুদ্ধে তোলা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আব্দুল সালাম কারিকর। তিনি বলেন এই ঘটনায় পেছনে আমার কোন সম্পর্ক নেই। এটা কোন রাজনৈতিক বিষয় নয়। শুধুমাত্র ব্যক্তিগত পুরনো আক্রোশে নিজেদের মধ্যেই এই ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার পরিপেক্ষিতে এখনো পর্যন্ত একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে কি কারণে এবং ঘটনা তার তদন্ত শুরু করে দোষীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here