চতুর্দশীতে এই জায়গায় এই ভয়ানক পাপ করলেও মুকুব হবে শাস্তি

0
45

নিজস্ব প্রতিবেদন(দেবস্মিতা ঘোষ)১০.১১.২০২০

আমাদের প্রত্যেকেরই জানা আছে মহালয়ার দিন পিতৃ তর্পণ হয় ।অর্থাৎ পিতৃ পুরুষের মুখে জল দেওয়া হয়। তাদের মর্তলোকে যাত্রা শুরু হয় কালীপুজোর ঠিক আগের দিন ।অর্থাৎ কার্তিক মাসের কৃষ্ণা চতুর্দশী তিথি কে ভূতচতুর্দশী বলে।

এই দিনটিকে ভূত চতুর্দশী বলা হয় কারণ তর্পণ এর সময় যে পিতৃপুরুষগণ আসেন এই চতুর্দশীর তিনি তাদের ফেরার পালা আরম্ভ হয়  তাদের পথ দেখানোর জন্য এই চৌদ্দ পুরুষের জন্য আমরা আমাদের বাড়ির চারপাশে জ্বালিয়ে থাকি ১৪ প্রদীপ।এই চৌদ্দ পুরুষ হচ্ছেন আমাদের পিতা, পিতামহ ,প্রপিতামহ, মাতা,পিতামহি, প্রপিতামহ, মাতামহ ,প্রমাতামহ ও বৃদ্ধ প্রমাতামহ ,মাতামহী, প্রমাতামহী, শ্বশুর-শাশুড়ি। গৃহীত আর তাদের উদ্দেশ্যে জানানো হয়।

ভূত চতুর্দশী দিনে অশুভ আত্মার হাত থেকে বাঁচতে মন্ত্র পাঠ করা হয়। এই মন্ত্র পাঠ করলে অশরীরী দের জন্য আর কোন ভয় থাকেনা। বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলায় চৌ চতুর্দশী নাম। চতুর্দশী ঐদিন কিছু না কিছু চুরি করতেই হয় ।চুরি বিদ্যা মহাবিদ্যা যদি না পড়ো ধরা অবশ্য এই দিন ধরা পড়লেও শাস্তি মুকুব।

ভূতচতুর্দশী আরো এক নাম আছে তা হলো যম চতুর্দশী কারণ এই দিন ১৪ জন যমের উদ্দেশ্যে তর্পণ করতে হয় ।সেই ১৪ জন যমরাজ হলেন ধর্মরাজ, মৃত্যু ,অন্তক, বৈবস্বত, কাল সর্বভূতে, উড়ুম্বর ,পরমেষ্ঠি,  চিত্র ও চিত্রগুপ্ত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here