জানেন কি এখানে জল বাষ্পীভূত হওয়ার পর তা আবার ঘনীভূত করে পানীয় জল হিসেবে ব্যবহৃত হয়?

0
40

নিজস্ব প্রতিবেদন (দেবস্মিতা ঘোষ)১৭.১১.২০২০:

মহাকাশ যানে চেপে মহাকাশে যাওয়া যে খুব সহজ ব্যাপার না তা কারুরই অজানা না।তবে বহু পথ ও বহু যুদ্ধ অতিক্রম করে যেতে পারাটাই শেষ কথা না। ওখান থেকে জীবিত ফিরে আসাটা একটা চ্যালেঞ্জ। পৃথিবীতে নামার এক মিনিট আগেও ঘটতে পারে অঘটন।বলা যেতে পারে মহাকাশচারীরা নিজেদের প্রাণ হাতে করেই যান।

“মাদ্রাসায় নাকি জঙ্গি তৈরি হয়?”

তবে, শুধু সেই টুকু না। মহাকাশে প্রত্যেকটা মুহূর্তই একটা চ্যালেঞ্জ। সব কিছুই ওখানে নিয়ে যেতে হয় পরিমিত। খাবার থেকে জল। পৃথিবীতে বসে যে কাজ গুলো অত্যন্ত সহজ।মহাকাশে তাই হয়ে যায় মহা কঠিন।

সেরমই একটি কাজ করে সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে ক্যারেন নাইবার্গ নিজের মাথায় শ্যাম্পু করে। ভিডিওটা না দেখলে ভাবতেই পারবেন না যে মহাকাশে শ্যাম্পু করা কতটা কঠিন।শ্যাম্পু করার শুরুতেই মাথায় জল দিচ্ছেন ক্যারেন। আর মাধ্যাকর্ষণের অভাবে সেই জল এ-দিক ও-দিক ছিটকে চলে যাচ্ছে। ক্যারেন প্রাণপণ চেষ্টা করে সেই জলকণাকে আবার ধরে নিয়ে আসছেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে স্পেসে কিন্তু জল একটি মহার্ঘ্য বস্তু, একজন মহাকাশচারী স্পেসে জল নিয়ে যাওয়ার অনুমতি পান ঠিকই কিন্তু ব্যবহার করতে হয় অনেক বুঝে-শুনে। কারণ এখানে কোনও কিছুই নষ্ট করা যায় না। স্পেসে সব কিছুই রিসাইকেল হয়। তাই যে জল মাথায় ছিটোলেন ক্যারেন, সেটি বাষ্পীভূত হয়ে যাবে এবং এয়ার কন্ডিশন সিস্টেম সেটি শুষে নিয়ে সেটাকে ঘনীভূত করবে। ওই ঘনীভূত জলকণা পুনরায় পানীয় জল হিসেবে ব্যবহৃত হবে।

আরও দেখুন

মাথায় জল ছিটিয়ে ক্যারেন ‘নো রিন্স’ শ্যাম্পু দিচ্ছেন, তার পর তোয়ালে দিয়ে ঘষে ঘষে সেটাকে ছড়িয়ে দিচ্ছেন সারা চুলে। ‘নো রিন্স’ শ্যাম্পু কেন ব্যবহার হচ্ছে সেটা তো বোঝাই যাচ্ছে। কারণ এই জাতীয় শ্যাম্পু মাথায় দিলে জল দিতে হয় না। তোয়ালে দিয়ে ঘষেই তাঁর মাথার ময়লা উঠে আসছে জলের ব্যবহার ছাড়াই।

যদিও আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে ক্যারেনের মাথায় শ্যাম্পু দেওয়ার এই ভিডিওটি বেশ পুরনো, তবু কেউ আবার সেটি নতুন করে রেডিটে শেয়ার করেছেন।প্রায় ৯৮০০০ লাইক হয়েছে এই ভিডিওর।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here