পুজোতে কি করে নিজেকে ফিট রাখবেন?

0
2810

নিজস্ব প্রতিনিধি ১৩.১০.২০২০:

পুজোর আর বাকি কটামাত্র দিন।এমনকি প্রতিমা উদ্বোধনও হয়ে গেছে বেশ কয়েক জায়গায়।যদিও এ বছর উৎসবের আড়ম্বর অনেক কম।তবুও বাঙ্গালির শ্রেষ্ঠ উৎসব। যতই নমঃ নমঃ করে সাড়া হোক তবুও নতুন জামা কাপড় পড়ে মানুষ বেড়োবে না তা হয় না।সবাই চাইবে অন্তত বছরের বাকি দিনগুলোর থেকে যাতে একটু হলেও বেশি সুন্দর লাগে।তাই পুজোর আগে শেষ মুহূর্তে এই দুর্যোগের মধ্যেও চলছে পার্লারে ভির।তবে শুধু তো ত্বক, চুল নয়ে..যত্ন নিতে হবে নিজের শরীরেও।তাই করোনাকালে জিম এ না গিয়েই কিছু নিয়ম মেনে ফিট রাখুন নিজেকে।

এক ঝলকে দেখে নিন বিশেষজ্ঞরা কি বলছেন-

১. শুধুমাত্র খিদে পেলেই খান। খেতে ইচ্ছে হলেই যখন তখন যা খুশি খেয়ে নেবেন না। যদি শরীরের সেই সময় খাবারের প্রয়োজন না থাকে তবে মেদ জমবেই।
২. নিজের শরীরের প্রয়োজনীয়তা বুঝুন। পুরো পেট পুরে খাবেন না। পেট ঠেসে ভরে যাওয়া মানেই আপনি দরকারের থেকে বেশি খেয়েছেন।


৩. সঠিক খাবার বাছুন। পুষ্টিকর খাবার যেমন ফল, শাকসবজি বেশি খান। বাদ দিন চিপস, মিষ্টি, কোল্ডড্রিঙ্কের মতো খাবার।
৪. কম কম পরিমানে খান। এই পরিমান খাবার একবারে খান তা কম সময়ের ব্যবধানে দু’বারে খান। খাবারের পরিমান কমালে খিদে তাড়াতাড়ি পাবে। আবার কম সময়ের ব্যবধানে অল্প অল্প করে খেলে মেদও জমবে না।
৫. ছোট প্লেট ব্যবহার করুন। প্লেট ছোট হলে খাবারের পরিমানও কমবে।
৬.খাবার গেলার আগে ভাল করে চিবিয়ে নিন। এতে পুষ্টিকর উপাদান শরীরে ভালোভাবে শোষিত হবে।


৭. অন্তত ২০ মিনিট ধরে খান। মনে রাখবেন পেট ভরেছে কিনা সেই সিগনাল মস্তিষ্কে পৌঁছতে ২০ মিনিট সময় নেয়।
৮. ব্রেকফাস্ট বাদ দেবেন না। সকালে ঠিকমতো না খেলে তার প্রভাব সারাদিনের খিদের ওপর পড়বে। ব্রেকফাস্টই সারাদিনের খিদে নিয়ন্ত্রণ করে।

৯. ফল বা মিষ্টি জাতীয় খাবার কখনই খাওয়ার পরই বা খাবারের সঙ্গে খাবেন না। ব্রেকফাস্ট বা লাঞ্চ খাওয়ার অন্তত ২ ঘণ্টা পর ফল খান।
১০. সূর্যাস্তের পর খাওয়ার পরিমান কমিয়ে দিন। সারাদিন ঠিকঠাক খেলে বিকেলের পর থেকে আপনা থেকেই খিদে কমে আসবে। সূর্যাস্তের পর থেকে কম পরিমানে সহজপাচ্য খাবার খান। এতে ঘুমও ভাল হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here