মহাত্মা গান্ধীর শিক্ষা দর্শন…

0
148

নিজস্ব প্রতিনিধি(০২.১০.২০২০):গান্ধীজীর শিক্ষা ভাবনা তার সঠিক বিপ্লবী ভাবনার অবিচ্ছেদ্য অংশ রূপ। শুধু ভাবনাতে নয় কাজের ক্ষেত্রেও তিনি ছিলেন একজন সম্পূর্ণ বিপ্লবী। তিনি ধ্বংস ও পুনর্গঠন এর কাজ একই সাথে করতে চেয়ে ছিল।ঔপনিবেশিক শোষণ ক্ষমতাকে ধ্বংসের পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি তিনি শুরু করেছিলেন ভিন্ন ভিন্ন সংগঠন এবং নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়োগ করেছিলেন সেগুলিতে নেতৃত্ব দেবার জন্য অনুসরণে বলা যায় মহাত্মা গান্ধী মানুষকে সার্থকভাবে বের করে এনেছিলেন।

গান্ধীজী যখন বিদেশে চাকুরীরত, আদালত ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলি বয়কট করার জন্য মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। সে সময় সর্বপ্রথম বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে মূল শিক্ষা দিতে তৎপর হোন। উল্লেখ্য কিছু পূর্বে শ্রীঅরবিন্দের নেতৃত্বে জাতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির কর্মকাণ্ড উদ্দেশ্য নিয়ে সূচিত হয়েছ। যাইহোক বিকল্পধারা গান্ধীজীর মানসিকতা প্রতিফলিত হয়েছিল ।প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় এক বিরাট সংখ্যক মানুষকে অন্তর্ভুক্ত না করায় তিনি এরূপ ব্যবস্থার প্রতি বীতশ্রদ্ধ ছিল । শুধু প্রয়োজনীয়তা নির্ণয় ও মাত্রাসহ সত্তিকারের শিক্ষা প্রচলনের বাসনায় তাকে মূল শিক্ষা বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা অনুপ্রাণিত করে প্রথমে দক্ষিণ আফ্রিকায় এক্ষেত্রে কিঞ্চিৎ সাফল্য পেলে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর সাফল্যকে সুদূর প্রসারী করতে উদ্যোগী হন ।স্মরণ করা যেতে পারে দক্ষিণ আফ্রিকা-ভারত উভয় ক্ষেত্রেই তার অধীনস্থ ছাত্রদের তিনি সত্যাগ্রহী রূপে গড়ে তুলতে সচেষ্ট ছিলেন এবং প্রয়োজনে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রামে তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে ছিলেন

গান্ধীজী এ সম্পর্কে সচেতন ছিলেন যে শিক্ষার জন্য ব্যবহৃত অর্থের আনুকূল্যের অভাবী অনেককে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করে সে কারণে তিনি শিক্ষাকে স্বনির্ভর করতে আগ্রহী ছিলেন ।এর অর্থ এই যে বিদ্যা শিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি অর্থ উপার্জনের পথ উন্মুক্ত রাখবে এবং কারিগরি শিক্ষা কি ইঙ্গিত করতে চেয়েছেন তা কিন্তু নয় ।এর তাৎপর্য আরো গভীর ও ব্যাপক মূলত তৎকালীন পরিস্থিতি এ বিষয়ে তার ধারণাকে সুসংবদ্ধ করেছিল তিনি আশা করেছিলেন যে এরূপ শিক্ষার ধারা প্রত্যেক মানুষের জীবনকে ও স্বনির্ভর করতে পারবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here