ধনতেরাসে মহালক্ষ্মীর আরাধনার মধ্য দিয়ে সূচনা হয় দীপাবলির

0
30

পল্লবী সান্যাল : ধনতেরাসে মহালক্ষ্মীর আরাধনার মধ্য দিয়ে সূচনা হয় পাঁচদিন ব্যাপী আলোর উৎসবের। হিন্দু শাস্ত্রমতে, কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে উদযাপন করা হয় দীপাবলির। মা কালীর পাশাপাশি এদিন মহালক্ষ্মীর আরাধনাও করা হয়ে থাকে। চতুর্দশীতে অমাবস্যা পুজো করা হয়। মনে করা হয়, অন্ধকার দিক আলোময় হয়ে উঠবে। দীপাবলীর আগের দিনই হল ধনতেরাস। এদিন মহালক্ষ্মীর সঙ্গে যেমন পূজিত হন গণেশ, তেমনই পূজিতা হন দেবী সরস্বতীও। এরপর উৎসবের শেষ দিন ভাইফোঁটায় গোরুর পুজো করা হয়।মনে করা হয় বিষ্ণুদেব এদিন স্বর্গ থেকে মর্ত্যে নেমে আসেন।

দীপাবলির দিন লক্ষ্মী-গণেশের পুজো করলে শ্রীবৃদ্ধি ঘটে বলে মনে করা হয়। মা লক্ষ্মীর পুজো করার আগে ভালো করে পরিষ্কার করে নিন ঠাকুর ঘর। বাড়িতে গঙ্গা জল ছিঁটিয়ে শুদ্ধিকরণ করে নিন। পুজোর জায়গায় ফুল দিয়ে আলপনা কিংবা রঙ্গৌলি দিতে পারেন। আলপনার মাঝে সুন্দর নকশা করে মোমবাতি , প্রদীপ দিতে পারেন। লক্ষ্মী গণেশের আসনটি যেন কাঠ বা পাথরের তৈরি বেদি হয়। তার ওপর লাল কাপড় পেতে দিন। মাটির প্রতিমা ছাড়াও রূপার প্রতিমাও পুজো করতে পারেন। প্রতিমার বদলে ছবিও পুজো করা যায়। এবার আসনের কাছে একটি জলভরা কলসি রাখতে হবে। ঘটে হলুদ ও সিঁদুর দিয়ে তিলক এঁকে নিন। সেই তিলক লক্ষ্মী-গণেশের মাথাতেও লাগান।

আরও পড়ুন

জানেন কি কিভাবে বাংলায় শুরু হয় কালীপুজো?

দীপাবলির দিন সারা বাড়িতে প্রদীপ জ্বালানো হয়। পুজোর সময়ে একটি থালায় ২৮টি মাটির প্রদীপ জ্বালান। অন্যআরেকটি থালায় গোটা হলুদ বা হলুদের গুঁড়ো, জাফরান, আবির, আতপ চাল, সিঁদুর সাজিয়ে দেবীক নিবেদন করুন। মনে রাখবেন,পুজোর আগে নতুন গয়না আর নারকেল যেন কেনা হয়।

এবার আসি ভোগ, প্রসাদের কথায়। মুগ কলাই ভেজানো, ফল, মিষ্টি, নাড়ু, মুড়কি, নারকেল, চিঁড়ে দিতে পারেন। রূপোর বাটিতে পায়েস অর্পন করলে তার ফল শুভদায়ক। ভক্তিভরে এভাবে মহালক্ষ্মীর আরাধনা ঘরে গৃহস্থের কল্যাণ হবে।


LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here