বিশ্বকর্মা আরাধনার দিনেই রান্নাপুজো হয়………..

0
200

নিজস্ব প্রতিবেদন(মৌটুসি রায়)১৫/৯/২০: ‘রান্নাপুজো’ আসলে প্রাচীন শস্যোৎসবের স্মৃতিবাহী। যাকে অরন্ধন পুজোও বলা হয়। আগের দিনের রান্না করা খাবার খাওয়া হয় এই দিন। নবান্নে যেমন শস্যের উৎসব হয়, ঠিক তেমনই বাংলার আরও এক শস্য উৎসবের নাম রান্নাপুজো।

বিশ্বকর্মা কিন্তু কৃষিরও দেবতা। তাই তাঁর বাহন হাতি, শাস্ত্র অন্তত এমনটাই বলছে। হিন্দুশাস্ত্র অনুসারে, সমস্ত পুজো তিথি মেনে হলেও একমাত্র এই বিশ্বকর্মা পুজোই সূর্যের স্থান পরিবর্তন অনুযায়ী হয়। ভাদ্র-সংক্রান্তির দিন সূর্য সিংহ লগ্ন থেকে কন্যা লগ্নে প্রবেশ করে। বৃহৎসংহিতা গ্রন্থ মতে, গ্রীষ্মান্তে যে সূর্য মেঘ রচনা করে বর্ষণের মাধ্যমে কৃষিকর্ম সংরক্ষণ করেন তিনিই বিশ্বকর্মা। আর সূর্যের অবস্থানের সঙ্গে ঋতু পরিবর্তনের সম্পর্কও হয়েছে, যার সঙ্গে শস্যচাষ অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। আর সেই উপলক্ষেই শস্য উৎসব উদযাপন হয় এই রান্নাপুজোর মধ্য দিয়েই।
বিশ্বকর্মার জন্ম নিয়ে নানা পুরাণে নানা রকম কাহিনি প্রচলিত রয়েছে। ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ মতে, ব্রহ্মার নাভিদেশ থেকে বিশ্বকর্মার জন্ম। আবার ভবিষ্যপুরাণ মতে, অষ্টবসুর অন্যতম প্রবাসের ঔরসে এবং বৃহস্পতির ভগিনী বরবর্ণিনীর গর্ভে বিশ্বকর্মার জন্ম। স্কন্দপুরাণ মতে আবার, বিশ্বকর্মার পাঁচটি মুখ ও দশটি হাত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here