ভবানীপুর নন্দন বাড়ির চন্দ্রপুলি

0
373

নিজস্ব প্রতিবেদন (দেবস্মিতা ঘোষ)২০.১০.২০২০

উত্তর কলকাতার সাথে বনেদিয়ানা এ পাল্লা দিয়ে দক্ষিণ কলকাতা ও কিন্তু পিছিয়ে নেই ।দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর এলাকার বিখ্যাত সাবেকি পুজো বা বনেদি বাড়ির পুজোর মধ্যে রয়েছে নিতাই চন্দ্র নন্দনের শুরু করা ভবানীপুরের নন্দন বাড়ির পুজো ।পুজো শুরু হয় ১৯৬৮ সালে এবং এখনো অবধি সেইখানে একই জাকজমকের সাথে হয় দুর্গাপুজো।এনারা বৈষ্ণব মতে করে থাকেন মা দুর্গার আরাধনা। আজকে একটি বিশেষ পদ আপনাদেরকে শেখাবো এই লেখার মাধ্যমে তা হল ভবানীপুর নন্দন বাড়ির চন্দ্রপুলি।

উপকরণ :-

নারকেল

 খোয়া ক্ষীর

 দুধ

 চিনি

 ছোট এলাচ

 চন্দ্রপুলি তৈরি করার জন্য ছাঁচ

প্রণালী-

 একটা পাত্রে নারকেল কড়ানো নিতে হবে। এরপর একটা কড়াইয়ে নারকেল ও চিনি নিতে হবে। চিনির পরিমাণ হবে তিন থেকে চার কাপ যদি দেড় কাপ মতো নারকেল হয়।এরপর হাল্কা আঁচে এটা রাখতে হবে যতক্ষণ না চিনি ভালোভাবে মিশে যাচ্ছে নারকেলের সাথে। ততক্ষণ অবধি অল্প আঁচে এটাকে নাড়াচাড়া করতে হবে।হয়ে গেলে নামিয়ে নিন ।এরপর

একটা কড়াইয়ে খোয়া ক্ষীর ও দুধ দিতে হবে হালকা আঁচে। যতক্ষণ না খোয়া ক্ষীর টা পুরোপুরি মিশে যাচ্ছে দুধের সাথে। খোয়াই ক্ষীর পুরোপুরি দুধের সাথে মিশে গেলে, এই খোয়া ক্ষীর আর দুধের মিশ্রণটি নারকেল ও চিনির মিশ্রণ এর সাথে মেশাতে হবে ।হালকা আঁচে এটা রাখতে হবে যতক্ষণ না এটা পুরোপুরি মিশে ও শুকিয়ে যাচ্ছে। এরপর চন্দ্রপুলির ছাঁচ নিয়ে তাতে ঘি মাখাতে হবে। এবং কিছুটা এই মিশ্রন ছোট বলের আকারে পাকিয়ে এর উপর দিয়ে সেই ছাঁচের আকারে ফেলতে হবে। যদি দেখা যায় ছাঁচ খুব ভালোভাবে উঠছে না অর্থাৎ মিশ্রন ভালোভাবে তৈরি হয়নি ।সে ক্ষেত্রে মিশ্রন আবারো অল্প আঁচে বসিয়ে যতক্ষণ না সুন্দরভাবে ছাঁচ উঠছে সে রকম অবস্থা অবধি হালকা আঁচে নাড়াচাড়া করতে হবে। ছাঁচ তোলা হয়ে গেলে তা ঠাণ্ডা করার সময় দিন তিন থেকে চার ঘণ্টা নরমাল রুম টেম্পারেচার এ। এরপর পরিবেশন করুন মিষ্টি চন্দ্রপুলি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here