বয়স্কদের বন্ধু এবার ডিজিটাল বিড়াল

0
158
Happy senior woman holding her tabby cat cat

বয়স্কদের বন্ধু এবার ডিজিটাল বিড়াল

নিজস্ব সাংবাদদাতা (সায়ন্তনী বড়াল), ২০/৫/১৯

 

পোষ্য মানুষের সঙ্গী কিন্তু ডিজিটাল পোষ্যও যে মানুষের সঙ্গী হতে পারে সেটি অবশ্য আশা করা যায়না।তবে এই ক্ষেত্রে মার্কিনিরা এগিয়ে গেছে আরো এক দাপ। সমাজের পরিবর্তিত মূল্যবোধ, পারিবারিক অবহেলা, কোনো কোনো ক্ষেত্রে সাংসারিক অশান্তিও হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রবয়স্কদের বাড়িতে থাকার পথে বাধা। আবার আজকালকার ব্যস্ত জীবনে আর যৌথ পরিবারে সন্তান থাকা সত্বেও বৃদ্ধ বাবা-মাকে দেখার মতো কেউ থাকে না। তাই বয়স্কদের সাহায্য করার জন্য তৈরি করেছে ডিজিটাল বিড়াল।

বেলা নামের একটি ডিজিটাল বিড়াল তৈরি করেছে আমেরিকার একটি সামাজিক সংস্থা। কেয়ার ডট কোচের তৈরি এই ডিজিটাল বিড়াল নিঃসঙ্গতা কমিয়ে দেয়, সামাজিক সাহায্যের অনুভূতি জাগিয়ে তোলে, সম্ভবত বিষণ্ণতা এবং অন্যান্য জটিল চিকিৎসা করতে সহায়তা করতে পারে। পোষা এই প্রাণীটি একজন মানুষকে ২৪ ঘন্টাই সহায়তা করতে পারে। এই বিড়ালটি মোবাইল ডিভাইসে ব্যবহার করতে হয়।ডিজিটাল এই পোষা বেড়াল রোগীর সার্বিক অবস্থার উন্নতি করছে। সেই সাথে সেবার খরচও কমিয়েছে।কেয়ার ডট কোচ নামের ওই সামাজিক সংস্থাটির প্রতিষ্টাতা ভিকটর ওয়াং জানান, আমাদের গবেষণা বলেছে, এই ডিজিটাল প্রাণী নিঃসঙ্গতা কমিয়ে দেয়। সামাজিক সাহায্যের অনুভূতি জাগিয়ে তুলে। সেই সাথে এই বিড়াল বিষণ্নতা এবং অন্যান্য জটিল রোগের চিকিৎসায় সহায়তা করতে পারে। তবে এটা এখনো নিশ্চিত না যে, প্রাণীদের ডিজিটাল সেবা মনুষের সেবার জায়গা নিতে পারবে কি না।ডিজিটাল এই প্রাণীটির ব্যবহারকারী একজন হলেন ডোনাল্ড ইনোহো নামের এক ব্যক্তি। তিনি জানান, সাত বছরেরও বেশি সময় ধরে আমি ডায়ালিসিস ব্যবহার করছি।সে অসুস্থ বোধ করায় বিড়াল টিকে প্রশ্ন করলে সে তৎক্ষণিক উত্তর দিলো, ‘আমি তোমার জন্য সব কিছুই করতে পারবো।’ পরে সে ক্লিনিকের জরুরি বিভাগে খবর দেয়। খবর পাওয়ার সাথে সাথে ক্লিনিকের লোকজন চলে আসে। তার মতে, এমন একটি সময় আসবে এই ধরনের ডিজিটাল প্রাণী স্বাস্থ্য সেবায় স্বাস্থ্য কর্মীদের কাজের পূরক হিসেবে কাজ করবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here